সোনাতলায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো স্কুল ছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী। গত ১০’সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মোঃ আমিরুল ইসলাম তার অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়েকে পাশ্ববর্তি সাঘাটা উপজেলা জুমারবাড়ি ইউনিয়নের বায়োজিত নগর গ্রামের মোঃ লিটন মিয়ার ছেলের সাথে লুকিয়ে বিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি নেয়। এদিকে বিষয়টি ঐ এলাকার শিক্ষিত সমাজের কিছু সচেতন ব্যক্তির নজরে আসলে তারা সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিনকে অবগত করেন। এরপর তিনি বিষয়টি যাচাইয়ের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে ঐ স্কুল ছাত্রীকে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা করেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর ঐ ঠিকানায় প্রতিনিধি পাঠিয়ে তাদেরকে উক্ত কার‌্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। সেইসাথে পুনরায় থানা পুলিশ পাঠিয়ে ঐ বাড়িতে বাল্যবিয়ের সকল আয়োজন বন্ধ করা হয়েছে এবং বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছে।

অপরদিকে ইউএনও’র পাঠানো প্রতিনিধি সুত্রে জানাযায়, বাল্যবিয়ের সংবাদে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া গ্রামে মহিলা মাদ্রাসা সংলগ্ন আমিরুল ইসলামের বাড়িতে গেলে সেখানে বিয়ের সব ধরনের আয়োজন লক্ষ করা যায়। সেসময় আমিরুলকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বিকার করেন যে তার মেয়ে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। সেসময় তাকে নিষেধ করা হলে তিনি তার মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের একটি ফটোকপি দেখান। যেখানে জন্ম তারিখ দেয়া রয়েছে ২৭/১১/২০০১ইং ও ইস্যুর তারিখ দেয়া রয়েছে ২৬/০৫ ২০১৪ইং। এরপর ঐ জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই করলে দেখাযায় তা সঠিক নয়। সেই মুলেই উক্ত বাল্য বিয়েটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানাযায়।